ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হবে এই নির্বাচন। সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়নে ভোট হবে সাতটি ধাপে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই তথ্য জানিয়েছেন।
৭ ধাপের নির্বাচনের প্রথম ধাপে ভোটগ্রহণ হবে ১২ নভেম্বর। দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ভোট হবে ৩০ ডিসেম্বর। আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ ধাপ এবং ২৭ মে সপ্তম ধাপের ভোট গ্রহণ হবে।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে।
সর্বশেষ ২০২২ সালে দেশে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হয়েছিল। সেবারও কয়েক ধাপে হয়েছিল ভোট। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে স্থানীয় পরিষদের নির্বাচনও অনেকটাই একতরফাভাবে হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর স্থানীয় সরকারের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিতরা আত্মগোপনে চলে যান, অনেকে গ্রেপ্তারও হন।
তখন অন্তর্বর্তী সরকার স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের বরখাস্ত করে সেখানে প্রশাসক বসায়। ইউনিয়ন পরিষদগুলো ভেঙে না দিলেও বহু ইউপি চেয়ারম্যান পলাতক থাকায় তাদের বরখাস্ত করা হয়।
এতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজে গতিহীনতা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সে কারণে নির্বাচনের দাবি উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। গত ফেব্রুয়ারিতে সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পর এখন ইউপি নির্বাচন শুরু করতে যাচ্ছে। এরপর সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।